০৯:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
ককটেল নিক্ষেপ, ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া

নাঙ্গলকোট উপজেলা যুবলীগ বর্ধিত সভা স্থগিত!


কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলা যুবলীগ আয়োজনে শনিবার উপজেলা আওয়ামীলীগের দলীয় কার্যালয়ে উপজেলা যুবলীগ আহবায়ক ও পৌর মেয়র আবদুল মালেকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। সভায় হাজার হাজার নেতাকর্মী সমাগম হওয়ায় এবং সভাস্থল ছোট হওয়ায় অতিরিক্ত তাপমাত্রা কারণে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা যুবলীগ আহবায়ক লালমাই উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামরুল হাসান শাহিন সভা স্থগিত করেন।


জানা যায়, ২০১৬ সালে উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক কমিটি করা হয়। পৌরমেয়র আবদুল মালেককে আহবায়ক এবং উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আবু ইউছুফ ভূঁইয়াকে সদস্য সচিব করে ১৮ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়। র্দীঘদিন পূর্ণাঙ্গ কমিটি না থাকায় শনিবার জেলা কমিটির নির্দেশে বর্ধিত সভা আয়োজন করা হয়। সভায় বর্তমান যুবলীগ আহবায়ক পৌর মেয়র আবদুল মালেক ও উপজেলা ছাত্রলীগ সাবেক সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক সুমন একটি প্যানেলে প্রার্থী। অপরদিকে উপজেলা আওয়ামীলীগের সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক তৌহিদুর রহমান মজুমদার সভাপতি প্রার্থী ও পৌর কাউন্সিলর জহিরুল্লাহ সুমন একই পরিবারের দু’ভাই সভাপতি প্রার্থী ছিলেন। প্রার্থীদের সমর্থক লোকজন মিছিল নিয়ে সভাস্থলে উপস্থিত হলে জনসভায় রুপ নেয়। প্রচন্ড তাপমাত্রা থাকায় জেলা কমিটি সভা স্থগিত ঘোষণা করেন। প্রার্থীদের সমর্থক লোকজন উপস্থিত হওয়ার পর সভা না হওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও ককটেল নিক্ষেপ করা হয়। থানা পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
পৌর কাউন্সিলর জহিরুল্লাহ সুমন বলেন, বর্তমান কমিটি অবৈধ। জোর পূর্বক তারা ৮ বছর যাবৎ ক্ষমতায় আছে। কাউন্সিলের মাধ্যমে একটি পূর্ণাঙ্গ কমিটি চাই পৌর মেয়র ও উপজেলা যুবলীগ আহবায়ক আবদুল মালেক বলেন, শান্তিপূর্ণ বর্ধিত সভায় একজন প্রার্থী জামায়াত বিএনপির বহিরাগত লোকজন এনে সভায় হট্টগোল ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। বিভিন্ন স্থানে ককটেল নিক্ষেপ করে আমার সমর্থকদের মধ্যে আতংক সৃষ্টি করে।


কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আহবায়ক ও লালমাই উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামরুল হাসান শাহিন বলেন, বর্ধিত সভাকক্ষ ছোট্ট পরিসরে হওয়ায়, এবং প্রচন্ড তাপমাত্রা থাকায় সভাকক্ষে অনুষ্ঠান করা সম্ভব নয় বিধায়, সভা স্থগিত ঘোষণা করা হয়। পরবর্তীতে সভার স্থান ও তারিখ নির্ধারণ করা হবে।
সভায় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান সামছু উদ্দিন কালু, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আহবায়ক ও লালমাই উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামরুল হাসান শাহিন, অর্থমন্ত্রী একান্ত সহকারী মিজানুর রহমান, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আবু ইউছুফ ভূঁইয়া, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা যুবলীগ যুগ্ম আহবায়ক আবদুস সোবহান খন্দকার সেলিম প্রমুখ।

ট্যাগ :
লেখকের পরিচিতি

জনপ্রিয় সংবাদ

রোড মার্চ সফল করার লক্ষ্যে নাঙ্গলকোটে বিএনপির গনমিছিল ও সমাবেশ

ককটেল নিক্ষেপ, ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া

নাঙ্গলকোট উপজেলা যুবলীগ বর্ধিত সভা স্থগিত!

আপডেট সময় : ০৬:২৪:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ মে ২০২৩


কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলা যুবলীগ আয়োজনে শনিবার উপজেলা আওয়ামীলীগের দলীয় কার্যালয়ে উপজেলা যুবলীগ আহবায়ক ও পৌর মেয়র আবদুল মালেকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। সভায় হাজার হাজার নেতাকর্মী সমাগম হওয়ায় এবং সভাস্থল ছোট হওয়ায় অতিরিক্ত তাপমাত্রা কারণে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা যুবলীগ আহবায়ক লালমাই উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামরুল হাসান শাহিন সভা স্থগিত করেন।


জানা যায়, ২০১৬ সালে উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক কমিটি করা হয়। পৌরমেয়র আবদুল মালেককে আহবায়ক এবং উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আবু ইউছুফ ভূঁইয়াকে সদস্য সচিব করে ১৮ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়। র্দীঘদিন পূর্ণাঙ্গ কমিটি না থাকায় শনিবার জেলা কমিটির নির্দেশে বর্ধিত সভা আয়োজন করা হয়। সভায় বর্তমান যুবলীগ আহবায়ক পৌর মেয়র আবদুল মালেক ও উপজেলা ছাত্রলীগ সাবেক সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক সুমন একটি প্যানেলে প্রার্থী। অপরদিকে উপজেলা আওয়ামীলীগের সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক তৌহিদুর রহমান মজুমদার সভাপতি প্রার্থী ও পৌর কাউন্সিলর জহিরুল্লাহ সুমন একই পরিবারের দু’ভাই সভাপতি প্রার্থী ছিলেন। প্রার্থীদের সমর্থক লোকজন মিছিল নিয়ে সভাস্থলে উপস্থিত হলে জনসভায় রুপ নেয়। প্রচন্ড তাপমাত্রা থাকায় জেলা কমিটি সভা স্থগিত ঘোষণা করেন। প্রার্থীদের সমর্থক লোকজন উপস্থিত হওয়ার পর সভা না হওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও ককটেল নিক্ষেপ করা হয়। থানা পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
পৌর কাউন্সিলর জহিরুল্লাহ সুমন বলেন, বর্তমান কমিটি অবৈধ। জোর পূর্বক তারা ৮ বছর যাবৎ ক্ষমতায় আছে। কাউন্সিলের মাধ্যমে একটি পূর্ণাঙ্গ কমিটি চাই পৌর মেয়র ও উপজেলা যুবলীগ আহবায়ক আবদুল মালেক বলেন, শান্তিপূর্ণ বর্ধিত সভায় একজন প্রার্থী জামায়াত বিএনপির বহিরাগত লোকজন এনে সভায় হট্টগোল ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। বিভিন্ন স্থানে ককটেল নিক্ষেপ করে আমার সমর্থকদের মধ্যে আতংক সৃষ্টি করে।


কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আহবায়ক ও লালমাই উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামরুল হাসান শাহিন বলেন, বর্ধিত সভাকক্ষ ছোট্ট পরিসরে হওয়ায়, এবং প্রচন্ড তাপমাত্রা থাকায় সভাকক্ষে অনুষ্ঠান করা সম্ভব নয় বিধায়, সভা স্থগিত ঘোষণা করা হয়। পরবর্তীতে সভার স্থান ও তারিখ নির্ধারণ করা হবে।
সভায় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান সামছু উদ্দিন কালু, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আহবায়ক ও লালমাই উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামরুল হাসান শাহিন, অর্থমন্ত্রী একান্ত সহকারী মিজানুর রহমান, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আবু ইউছুফ ভূঁইয়া, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা যুবলীগ যুগ্ম আহবায়ক আবদুস সোবহান খন্দকার সেলিম প্রমুখ।